কিভাবে বাংলা আর্টিকেল লিখতে হয়

 

বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইনে কনটেন্টের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আপনারা যারা নতুন আর্টিকেল লেখা শুরু করবেন ভাবছেন বা শুরু করেছেন আমার এই পোস্টটি তাদের জন্য। আপনারা অনেকেই জানেন অনলাইনে কিন্তু এখন খুব সহজেই ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করা যায়। আর্টিকেল লিখে যেমন অনলাইনে টাকাও ইনকাম করা যায় তেমনি মার্কেটপ্লেসে এর কদর অনেক বেশি।

আজকে আমার এই পোস্টে কিভাবে সহজে আর্টিকেল লিখা যায় সেটাই শিখাব।আপনারা যারা ঘরে বসে আর্টিকেল লিখে  টাকা ইনকাম করতে চান তারা আমার এই পোস্ট দেখে খুব সহজেই আর্টিকেল লেখা শিখতে পারেন। শুধু আর্টিকেল লিখলে হবে না এর জন্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে তো আজকের এই পোস্ট যদি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আপনারা পড়ে থাকেন তাহলে খুব সহজে আর্টিকেল লেখার নিয়ম গুলো জানতে পারবেন

সূচীপত্র

পোষ্টে টাইটেল লেখার নিয়মঃ

পোষ্টে টাইটেল অথবা শিরোনাম পাঁচ থেকে আট শব্দের মধ্যে হতে হবে। একজন পাঠক পোস্টটি পড়ে যেন বুঝতে পারে যে পুরোটা পোষ্টের মধ্যে কি লেখা আছে । অনেক পাঠক পোষ্টের শিরোনাম দেখে পোস্টের পুরোটা না পড়ে চলে যায় এর কারণ হচ্ছে পোস্টের টাইটেল সঠিকভাবে না লেখা বা দর্শককে আকৃষ্ট করতে না পারা।পোষ্টের মধ্যে কি, কিভাবে, কে এগুলো থাকলে পাঠকরা পড়তে বেশি আকৃষ্ট হয় বা পছন্দ করে ।
 পোস্টের টাইটেল যত আকর্ষণীয় বা লোভনীয় হবে ততই দর্শক বেশি পড়তে পছন্দ করবে। পোষ্টের টাইটেল অবশ্যই ৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে হতে হবে। পোস্টের টাইটেল লেখার সময় অবশ্যই একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে,পোস্ট টাইটেলের মধ্য বিশেষ কোনো জ্যোতিচিহ্ন ব্যবহার করা যাবে না। 
একটা পোস্টে টাইটেল লেখার সময় অবশ্যই নিচে নিয়ম গুলো অনুসরণ করতে হবেঃ
  • পোস্ট টাইটেল অবশ্যই পাঁচ থেকে আট শব্দের মধ্যে হতে হবে
  • পোস্ট টাইটেল ৬০ ক্যারেক্টরের মধ্যে হতে হবে
  • পোস্ট টাইটেলের  শুরুতে ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে
  • পোস্ট টাইটেল লোভনীয় করে লিখতে হবে
  • পোস্ট টাইটেলে (?,!,/) এগুলো ছাড়া অন্য কোন বিশেষ যতি চিহ্ন ব্যবহার করা যাবে না

পোষ্টের মধ্যে ভুমিকা বাটন বানানোর নিয়মঃ

পোস্ট এর শুরুতে অবশ্যই একটা ভূমিকা বাটন বানাতে হবে। একটা ভূমিকা বাটনে অন্য একটা রিলেটেড পোস্ট এর লিংক দেওয়া থাকে এই কারণে অন্য আর্টিকেলে যেতে পাঠকের সেরকম কোন ঝামেলা হয় না এই কারণে পাঠক আপনার পোষ্ট পড়তে বেশি আকৃষ্ট হয়।

আপনি যখন কোন পোস্ট লিখবেন তখন অবশ্যই মাথায় রাখবেন যেন আপনার পোস্টটি পড়ে দর্শক আকৃষ্ট হয়। অনেক পাঠক আছে পোস্টের টাইটেল, ভুমিকা বাটন এগুলো দেখে চলে যায় এ কারণে আমাদের ভুমিকা বাটন অবশ্যই আকর্ষণীয় করতে হবে। একটা ভূমিকা বাটন তৈরির জন্য কি কি নিয়ম অনুসরণ করতে হয় তা নিচে আলচনা করা হয়েছে।
  • আর্টিকেল লেখার শুরুতে একটা ভুমিকা বাটন বানাতে হয়।
  • ভূমিকা বাটনের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয় শব্দ ব্যবহার করতে হবে
  • ভূমিকা বাটনের মধ্যে অবশ্যই রিলেটেড কোন পোষ্টের ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে 
  • ভূমিকা বাটন অবশ্যই থিমের মেন কালার দিয়ে বানাতে হবে
আপনার পোষ্টে যদি সঠিক নিয়মে সুন্দরভাবে একটি ভুমিকা বাটন তৈরি করেন তাহলে আপনার আর্টিকেল  দর্শকদের আকৃষ্ট করতে কতটা যে ভূমিকা রাখতে পারে তা অবশ্যই বুঝতে পারছেন। তাই অবশ্যই আমাদের একটি ভূমিকা বাটন তৈরি করতে গুরুত্ব ও যত্নশীল হতে হবে।

ভুমিকা অথবা মেটা ডেসক্রিপশন লেখার নিয়মঃ

একটি আর্টিকেল লেখার সময় অবশ্যই সঠিক নিয়মে ভুমিকা অথবা মেটা ডেসক্রিপশন লিখতে হবে।
মেটা ডেসক্রিপশন মোট চার লাইন লিখতে হয়। একটি আর্টিকেলে আপনি কি লিখছেন তা সংক্ষিপ্ত আকারে মেটা ডেসক্রিপশনে দেওয়া থাকে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক একটা আর্টিকেলে কিভাবে ভূমিকা অথবা মেটা ডেসক্রিপশন লেখা হয়ঃ
  • ভূমিকা অথবা মেটা ডেসক্রিপশন মোট চার লাইন লিখতে হয়
  • ভূমিকা বাটন এর নিচে ও ফিচার ইমেজ ওয়ান এর উপরে দুই লাইন
  •  ফিচার ইমেজ ওয়ান এর নিচে পেজ সূচিপত্রের উপরে দুই লাইন

পেজ সূচিপত্র লেখার নিয়মঃ

আপনি যদি কোন আর্টিকেল পড়তে যান তাহলে সেই আর্টিকেল এর পেজসূচিপত্র দেখে বোঝা যায় যে আর্টিকেলের মধ্যে কি লিখা আছে। আর্টিকেল লেখার সময় এমনভাবে আপনি পেজসূচিপত্র   তৈরি করবেন যেন দর্শক আপনার পোস্টের পেজ সূচিপত্র পড়ে বুঝতে পারে আপনার আর্টিকেলের মূল বিষয়বস্তু কি লেখা আছে । 


পেজ সুচিপত্র এমনভাবে তৈরি করবেন যেন আপনার জা  প্রয়োজন খুব সহজে সেই বিষয়বস্তুতে আপনি পৌঁছাতে পারেন।একটি আর্টিকেলে কিভাবে পেজ সূচিপত্র   তৈরি করতে হয় তা নিচে সুন্দর ও সহজ ভাবে উপস্থাপন করা হলোঃ ।
  • পেজ সূচিপত্রে ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে
  • পেজ সূচিপত্রের নিজের প্রয়োজনীয় বারটি হেডিং ব্যবহার করতে হবে
  • প্রথমে হেডিং ফোকাস কিওয়ার্ড দিয়ে লিখতে হবে

পোষ্টে হেডিং লেখার নিয়মঃ

আপনি যখন একটি আর্টিকেল লিখতে যাবেন তখন অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে একটি পোষ্টের হেডিং  পাঁচ থেকে আট শব্দের মধ্যে লিখতে হবে। একটি আর্টিকেল লোভনীয় ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য  কিছু নিয়ম অনুসরন করতে হয় । একটি পোস্টে হেডিং লিখতে হলে কি কি নিয়ম অনুসরণ করতে হবে তা নিচে দেওয়া হলঃ
  • প্রতিটি হেডিং পাঁচ থেকে আট শব্দের মধ্যে লেখার চেষ্টা করতে হবে
  • প্রতিটি হেডিং এর নিচে সর্বনিম্ন দুইটি প্যারা লিখতে হবে
  • প্রতিটি হেডিং এর নিচে সর্বোচ্চ পাঁচটা প্যারা লেখা যাবে

পর্যায়ক্রমে প্যারা করে লেখার নিয়মঃ

একটি আর্টিকেল লেখার সময় আপনার যদি প্যারা করে লেখেন তো আর্টিকেলটি দেখতে অনেকটা সুন্দর লাগে পড়তেও অনেকটা সুবিধা হয়। প্রতিটি হেডিং এর পর  কয়েক লাইন করে প্যারা করে লিখতে হবে এবং যতটা পারা যায় সংক্ষেপে বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে । আপনার আর্টিকেলে যদি একটি প্যারায় বুঝানোর ক্ষেত্রে বেশ কয়েকলাইন হয়ে যায় তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনি নিচে আরেকটি প্যারা তৈরি করবেন।
  • প্রতিটি প্যারায় সর্বনিম্ন সাড়ে তিন লাইন রাখা যাবে
  • প্রতিটি প্রায় সর্বোচ্চ পাঁচ লাইন লেখা রাখা যাবে
  • প্রত্যেকটি লাইন যতটা পারা যায় সংক্ষেপে বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে।

পোষ্ট সঠিকভাবে ফরম্যাটিং করার নিয়মঃ

আপনি যে পোস্ট লিখছেন তা সুন্দর ও সঠিকভাবে ফরম্যাটিং করতে হবে। পোষ্টের মধ্যে অযথাই অগোছালো ফন্ট বোল্ড করা যাবে না অথবা কোন কালার পিকার থেকে কোন কালার কোড ব্যবহার করা যাবে না। বিশেষ কোন প্রয়োজন ছাড়া আপনার পোষ্টের মধ্যে ইউনিক ডিজাইন করতে পারবেন। মনে রাখবেন আপনি যে আর্টিকেল লিখছেন সেটি অত্যন্ত মূল্যবান এজন্য পোস্ট লেখার পরে অবশ্যই পোস্টের সবগুলো লেখা জাস্টিফায় ফরমেটে রাখতে হবে


আপনি আর্টিকেল লেখার পরে যদি তা সঠিকভাবে ফরম্যাটিং করতে না পারেন তাহলে আপনার আর্টিকেল লেখাটাই বৃথা। আপনার পোস্টটি সঠিকভাবে ফরম্যাটিং করার জন্য কি কি নিয়ম অনুসরণ করবেন তা নিচের সুন্দর সহজ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আপনি এই পোস্টটি পড়ে আপনার আর্টিকেলটি সুন্দরভাবে ফরম্যাটিং করতে পারবেন।
আপনি যখনই কোন পোস্ট লিখবেন তখন অবশ্যই আপনার পোস্ট এর উপর একটি সুন্দর মতামত প্রদান করতে হবে । প্রথম প্যারায় পুরো কনটেন্ট সম্পর্কে বলতে হবে এবং দ্বিতীয় প্যারায় নিজস্ব মতামত উপস্থাপন করতে হবে। আপনি যদি সুন্দরভাবে আপনার কন্টেন উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে খুব সহজেই আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন
  • পোস্ট ভালোভাবে ফরম্যাটিং করতে হবে অগোছানো ফন্ট অযথা বোল্ড অথবা কালার পিকার থেকে কোন কালার কোড ব্যবহার করা যাবে না
  • পোস্ট এর সবগুলো লেখা জাস্টিফায় ফরমেটে থাকবে
  • বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া প্রশ্নের মধ্যে কোন ইউনিক ডিজাইন করা যাবে

আরও পড়ুন সেকশন বাবহারের নিয়মঃ

আর্টিকেল লেখার মাঝে  অবশ্যই আরও পড়ুন সেকশন ডিজাইন ব্যবহার করতে হবে। আরও পড়ুন সেকশন ডিজাইন আর্টিকেলের মধ্যে তিনবার ব্যবহার করতে হবে।আরও পড়ুন সেকশন ব্যবহারের নিয়ম নিচে দেওয়া হল ঃ
  • আরও পড়ুন সেকশন ২ প্যারাগ্রাফের মাঝে দিতে হবে
  •  আরও পড়ুন সেকশন নিচের দিকে দিতে হবে
  • আরো পড়ুন সেকশন  মধ্যে আর্টিকেলের তিন জায়গায় দিতে হবে
  • আরো পড়ুন সেকশনের মাঝে অন্য রিলেটেড কোন ব্লগ পোষ্টের লিংক দিতে হবে

পোষ্টে ফোকাস কিওয়ার্ড থাকতে হবেঃ

আপনি যখন কোন আর্টিকেল লিখবেন তখন অবশ্যই সেটার মধ্যে ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। আপনি এখন নিশ্চয়ই মনে করছেন, যে ফোকাস কিওয়ার্ড কি? আপনি যেহেতু আর্টিকেল লিখতে পারেন না সেহেতু আপনার মনে এটা ধারণা আসতেই পারে এটাই স্বাভাবিক। আচ্ছা আপনি গুগলে আর্টিকেল লেখার নিয়ম কিংবা কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয় এগুলো বলে তো সার্চ করেন তাই না? তাহলে এখন বুঝতেই পারছেন ফোকাস কিওয়ার্ড কি।

একটি আর্টিকেলে ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা অত্যন্ত জরুরী । ফোকাস কিওয়ার্ড হলো একটি আর্টিকেলের প্রাণ । একটি পোষ্টের মধ্যে ১০ থেকে ১২ বার ফোকাস কিভাবে ব্যবহার করতে হবে । সুতরাং বুঝতেই পারছেন আর্টিকেল লেখার সময় ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করার গুরুত্ব টা কতখানি।

পোষ্টের মধ্যে ফিচার ইমেজ ব্যাবহারের নিয়মঃ

আর্টিকেল লেখার সময় অবশ্যই পোষ্টের মধ্যে ফিচার ইমেজ ব্যবহার করতে হবে। যখন পাঠক আপনার পোস্ট পড়তে আসবে শুধুমাত্র লেখা দেখে আকৃষ্ট হয় না এর মাঝেমধ্যে ইমেজ দেখে ও পোস্ট পড়তে আগ্রহী হয়। এ কারণে অবশ্যই পোস্টের মধ্যে তিনটা ফিচার ইমেজ ব্যবহার করতে হবে এবং তার সাইজগুলো অবশ্যই ঠিকমত রাখতে হবে। ফিচার ইমেজ ব্যবহারের জন্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয় চলুন তা দেখে নেইঃ
  • প্রত্যেকটি পোস্টের মধ্যে তিনটি ফিচার ইমেজ ব্যবহার করতে হবে
  • প্রতিটি ফিচার ইমেজ এআই (A I) দিয়ে তৈরি করতে হবে
  • মেটা ডেসক্রিপশন এর মাঝখানে প্রথম ফিচার ইমেজ দিতে হবে
  • চার নম্বর হেডিং এর দ্বিতীয় ফিচার ইমেজ দিতে হবে এবং
  •  নয় নাম্বার হেডিং এ তৃতীয় ফিচার ইমেজ দিতে হবে

পোষ্ট লেখা ও পাবলিশ করার সময়ঃ

পোস্ট লেখা ও পোস্ট পাবলিশ করার জন্য কিছু আদর্শ সময় রয়েছে। আপনি যখনই একটা পোস্ট লিখবেন আপনার মনটা ফ্রেশ থাকা উচিত। একটি আর্টিকেল অনেক মূল্যবান। এজন্য আমাদের অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রেখে আর্টিকেল লিখতে হবে। পোস্ট লেখার আদর্শ সময় হচ্ছে  ভোর ৪:৩০ থেকে ৬:৩০ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় আমাদের মনটা অনেকটা ফ্রেশ থাকে। পরিবেশটাও অনেকটা নিস্তব্ধ থাকে এ কারণে সুন্দরভাবে পোস্ট লেখা যায়।


পোস্ট পাবলিস্ট করার জন্য কিছু আদর্শ সময় রয়েছে। আপনি যখন পোস্ট শেয়ার করবেন তখন যদি দর্শকই না থাকে তাহলে আপনার পোস্টটা পড়বে কে। তাই এমন সময় পোস্টটি শেয়ার করতে হবে যেন  দর্শক আপনার পোস্টটি পড়তে আগ্রহী থাকে। সকাল নয়টা থেকে দশটা পর্যন্ত পোস্ট শেয়ার করা একটি উপযুক্ত সময় ।
আবার দুপুর তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত মানুষ ফ্রি থাকে এই কারণে এই সময় আপনার পোস্টটি শেয়ার করলে দর্শক মনোযোগ সহকারে পড়তে পারবে । রাত নয়টা থেকে দশটা পর্যন্ত পোস্ট শেয়ার করতে পারেন এ সময় মানুষ নিজেদের কাজকর্ম সেরে ঘুমানোর আগে অনলাইনে আসে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন একটি পোস্ট শেয়ার করার সময় অবশ্যই আমাদের দর্শকদের টার্গেট করতে হবে।

শেষকথাঃ

সঠিকভাবে আর্টিক্যাল লিখতে হলে অবশ্যই কিছু নিয়ম নীতি অনুসরণ করতে হয়। পোষ্টের মধ্যে অবশ্যই ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। একটা পোস্ট লেখার সময় অবশ্যই টাইটেল ভূমিকা বাটন পেজ সূচিপত্র এবং আরও পড়ুন সেকশন অবশ্যই সঠিকভাবে লিখতে হবে।

আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয় আমার এই পোষ্ট পড়ে অবশ্যই আপনারা বুঝতে পারছেন। আর্টিকেল লেখার ধারণা পেতে হলে অবশ্যই পোস্টের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রিফা আরএফএন এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Mst.Shahina Akter
Mst. Shahina Akter
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট এবং রিফা আরএফএন এর এডমিন। আমি রিফা আরএফএন ওয়েবসাইটে অনলাইন ইনকাম, তথ্য, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।।